ফেসবুক একাউন্ট হ্যাকিং এর অভিনব ফাঁদ ইন্টারনেট জগতে
ফটো ভেরিফিকেশন এর ঝামেলা থেকে উদ্ধার পাওয়ার shortcut পদ্ধতি-100% Guarantee
লিংকে ক্লিক করলেই বিপদ! ফেসবুক ব্যবহারকারীরা সাবধান!
ফেসবুক ব্যবহারকারী মৃত্যুর আগে তার অ্যাকাউন্টের জন্য উত্তরাধিকারী ঠিক করে যেতে পারবেন!
এক ক্লিকে মুছে ফেলুন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে থাকা সব মেসেজ। জেনে রাখলে আপনার প্রাইভেসি রক্ষার্থে কোনদিন হয়তো কাজে লাগবে।
FB ডিসেবল আইডি ফিরিয়ে নিন খুব সহজেই
ফেসবুক অটো লাইক ২০১৫ এক্সক্লুসিভ বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল। শিখে নিন, সাথে সামান্য কিছু আয়ের পথও করে নিন।
আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কি ব্লকড?কেউ কি আপনার নামে ফেসবুকের কাছে রিপোর্ট করেছে?তাহলে করনীয় দেখে নিন+একটা ছোট মজার ট্রিক
আপনার ফেসবুক স্ট্যাটাস কাঙ্ক্ষিত নির্দিষ্ট ফ্রেন্ডদের কাছে থেকে লুকায় রাখতে চান? [আমার তৈরি প্রথম ভিডিও টিউটোরিয়ালসহ]
Saturday, March 7, 2015
আপনার ফেসবুক একাউন্টকে পারমানেন্টলি ডিলিট করুন।(যারা জানে না শুধু তাদের জন্য)
আসালামু আলাইকুম, আশা করি ভালো আছেন । অনেক দিন টেকটিউনে টিউন করা হয় না। আজ আপনাদের কাছে শেয়ার কিভাবে ফেসবুক একাউন্টকে পারমানেন্টলি ডিলিট করবেন । আমাদের অনেক সময় প্রয়োজন হয় ফেসবুক একাউন্টকে পারমানেন্টলি ডিলিট করার। কিন্তু পারি না। আমি আগেই বলে রাখছি এটা যারা জানে না শুধু তাদের জন্য আমার এই পোষ্ট। আমরা যারা ফেসবুক একাউন্টকে ডিলিট করতে চাই সবাই নিম্ন ছবির মত করি। কিন্তু এভাবে কি একাউন্টকে পারমানেন্টলি ডিলিট করা যায়....
বলে রাখি ফেসবুক একাউন্ট ডিলিট করা আর ডিএক্টিভ করা দুটি আলাদা বিষয়। আপনি যদি ডিএক্টিভ করে রাখেন সেটি আবার এক্টিভ করে নিতে পারবেন যে কোন সময়ে। কখনও মনের ভুলে লগ ইন করলেই ফেসবুক একাউন্ট টি আবার একটিভ হয়ে যাবে।
আপনার ফেসবুক একাউন্টকে পারমানেন্টলি ডিলিট করতে হলে এখানে ক্লিক করুন।
নির্দেশনা ফলো করুন। নতুন উইন্ডো তে আপনার পাসওয়ার্ড দিন। নিচের অংশে কেপচা ওয়ার্ড পুরন করে Okay ক্লিক করুন। এরপর যেই পেজ আসবে এখানে লেখা আছে তা ভালো করে লক্ষ্য করুন। আপনাকে আবারও সতর্ক করা হবে,আগামী ১৪ দিনের মধ্যে যদি লগ ইন করেন তবে আপনি এই ডিলিট cancel করতে পারবেন। এছাড়া ১৪ দিন পরেই আপনার ফেসবুক একাউন্ট টি পারমানেন্টলি ডিলিট হয়ে যাবে। যা আর কখনও ফেরত পাবেন না।
ফেসবুক গোপনীয়তা রক্ষার্থে দারুন কিছু টিপস
ফেসবুকে ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত বিষয়াদি সংরক্ষিত থাকে যেমন, ছবি, বার্তা, ভিডিও প্রভৃতি। এগুলোর কিছু কিছু ‘পাবলিক’ এক্সেসের উপযোগী থাকে, অর্থাৎ সবাই সেগুলো দেখতে পারে। কিন্তু ফেসবুকে ব্যবহারকারীদের কিছু গোপনীয় ছবি, মেসেজ, স্ট্যাটাস প্রভৃতিও থাকে যেগুলো শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসের উপযোগী হয়। এই পোস্টে আমরা এমন কিছু উপায় দেখব যার মাধ্যমে ফেসবুকে প্রাইভেসি (গোপনীয়তা) আরও উন্নত করা সম্ভব।
১. প্রাথমিক সেটআপ
ফেসবুকের বেসিক (প্রাথমিক) প্রাইভেসি সেটিংসগুলো কনফিগার করে নিন। আপনার পোস্টগুলো কারা কারা দেখবে, কোন থার্ড-পার্টি অ্যাপ আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে এক্সেস পাবে, আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের কোন কোন তথ্য সবাই দেখতে পাবে প্রভৃতি বিষয় আগে থেকেই ঠিক করে নিন। এই ফেসবুক লিংকে ভিজিট করে এ সম্বন্ধে বিস্তারিত দেখুন।
২. টাইমলাইন রিভিউ চালু করুন
টাইমলাইন রিভিউ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। আজকাল ফেসবুকে প্রায়ই দেখা যায় লোকজন ঢালাওভাবে একে অন্যকে ট্যাগ করছে। ছবি, ভিডিও, পোস্ট প্রভৃতিতে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ট্যাগড্ হননি এমন ফেসবুক ব্যবহারকারী খুঁজে পাওয়াই কঠিন। ট্যাগকৃত ছবি বা অন্যান্য পোস্ট ট্যাগ হওয়া ইউজারের প্রোফাইলে এসে হাজির হয়। অনেকেই এটা পছন্দ করেন না। টাইমলাইন রিভিউ চালু করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তখন আপনাকে কেউ কোনো পোস্টে ট্যাগ করলে সেটি সরাসরি আপনার প্রোফাইলে চলে আসবেনা। বরং আপনাকে নোটিফিকেশন দেয়া হবে এবং আপনি চাইলে ট্যাগড্ পোস্টটি প্রোফাইলে আনতে পারেন অথবা নিজেকে ট্যাগ থেকে তুলে আনতে পারেন। টাইমলাইন রিভিউ সম্পর্কে আরও জানতে এই ফেসবুক লিংক দেখুন। আর ফিচারটি চালু করতে কম্পিউটারে ফেসবুক ভিজিট করে এই ধাপগুলো অনুসরণ করুনঃ Settings > Timeline and Tagging > Review posts friends tag you in before they appear on your Timeline? > Edit > Enabled.
৩. আপনার ফেসবুক সার্চ হিস্ট্রি মুছে ফেলুন
ফেসবুকে আপনি যেসব কনটেন্ট সার্চ করেন সেগুলোর রেকর্ড রেখে দেয় ওয়েবসাইটটি। এই সার্চ হিস্ট্রি মুছে ফেলতে চাইলে আপনার টাইমলাইনে গিয়ে ‘অ্যাক্টিভিটি লগ’ ক্লিক করুন। এরপর বাম কলামে থাকা ‘মোর’ সেকশনের নিচের দিকে ‘সার্চ’ লিংকে ভিজিট করে ‘ক্লিয়ার সার্চেস’ বাটন ক্লিক করে ফেসবুক সার্চ হিস্ট্রি মুছে ফেলুন।
৪. ফেসবুক লোকেশন হিস্ট্রি ক্লিয়ার করুন
মোবাইলে ফেসবুক ব্যবহারের সময় লোকেশন ফিচার চালু থাকলে এটি আপনার অবস্থান ট্র্যাক করতে থাকে। আপনি যদি এটা না চান তাহলে ফেসবুক অ্যাপের ‘মোর’ অপশনে গিয়ে ‘নিয়ারবাই ফ্রেন্ডস’ সেকশনে থাকা ছোট গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন। এবার ‘লোকেশন সেটিংস’ সিলেক্ট করে লোকেশন হিস্ট্রি ফিচার বন্ধ করে দিন। আর পূর্বের লোকেশন রেকর্ড মুছে ফেলতে চাইলে কম্পিউটারে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল ভিজিট করে ‘অ্যাক্টিভিটি লগ’ ওপেন করুন। সেখান থেকে ‘মোর অপশনে গিয়ে ‘লোকেশন হিস্ট্রি’ লিংকে ভিজিট করে ‘ক্লিয়ার লোকেশন হিস্ট্রি’ অপশন ক্লিক করুন।
৫. বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ
আপনি যেসব সাইট ভিজিট করে থাকেন সেগুলোর ভিত্তিতে ফেসবুক আপনাকে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে থাকে। আপনি কোন ধরণের অ্যাড দেখতে চান তা নিয়ন্ত্রণের জন্য ফেসবুকের এই অফিশিয়াল গাইডলাইন অনুসরণ করুন।
নিয়ে নিন ফেসবুকে অটো ফলোয়ারের এক্সক্লুসিভ বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল ২০১৫। সাথে ফেসবুক অটো লাইকের টিউটোরিয়ালও তো আছেই!
আজকের ভিডিও টিউটোরিয়াল ফেসবুক অটো ফলোয়ার নিয়ে। সেলিব্রেটি হওয়ার আশায় অনেকে ফেসবুকে লাইক, ফলোয়ার কুড়ায় বেড়ান। আর ফেসবুক অটো লাইক, ফলোয়ার নেয়া আইডির জন্য ঝুঁকির হলেও সেসব ফেসবুক পাগল ভাইদের জন্যই আমার এই টিউটোরিয়ালগুলো।
ফেসবুক অটো ফলোয়ার নেয়ার পদ্ধতিটিও অটো লাইকের মতোই অনেকটা মিল রয়েছে। তাই অবশ্যই আপনাকে আমার ফেসবুক অটো লাইকের বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়ালটি এক নজরে আগে দেখে নিতে হবে। কেননা এই টিউটোরিয়ালে পূর্বের বিষয়গুলো দ্রুত এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। তাই এড়িয়ে যাওয়া বিষয়গুলোর বিস্তারিত আলোচনা পেতে অবশ্যই পূর্বের টিউটোরিয়ালটি মিস করলে চলবেনা। আজকের ফেসবুক অটো ফলোয়ার ভিডিও টিউটোরিয়ালদেখে আপনি অবশ্যই সহজেই আনলিমিটেড ফেসবুক ফলোয়ার নিতে পারবেন (পনের মিনিট পর পর ৩৫+ ফলোয়ার)। চলুন তাহলে দেখে নিন ভিডিও টিউটোরিয়ালটি আর শিখুন কিভাবে ফেসবুক অটো ফলোয়ার পেতে হয় একদম ফ্রিতে সহজেই! ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব এবং একটি মতামত জানাতে কার্পণ্য বোধ করবেন না। ধন্যবাদ
ফেইসবুক অটো গ্রুপ পোষ্ট হবে সহজেই এক ক্লিকেই (যারা জানেন না শুধু তাদের জন্যে)
আচ্ছালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন?
আশা করি আল্লাহ রহমতে ভালই আছেন।
সবাই কেমন আছেন?
আশা করি আল্লাহ রহমতে ভালই আছেন।
আমি আজ মাল্টি গ্রুপ পোষ্ট নিয়ে আলোচনা করবো
এ বিষয়টা নিয়ে আগে কেউ পোষ্ট করে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি
আমাদের অনেক সময় ফেইসবুকের অনেক গ্রুপে এক সাথে অনেক পোষ্ট করা লাগে।
বিশেষ করে Affiliate মার্কেটার দের বেশি গ্রুপ পোষ্ট করা লাগে মার্কেটিং এর জন্যে
মাল্টি গ্রুপ পোষ্টের সুবিধাঃ
এ সিস্টেম দিয়ে আপনি আপনার ফেইসবুকের শত শত গ্রুপে এক ক্লিকে একই পোষ্ট করতে পারবেন।
মনে করেন ১০০ গ্রুপে পোষ্ট করতে সময় লাগে মিনিমাম ২৫ মিনিট।
মাল্টি গ্রুপ পোষ্টে সময় লাগতেছে মাত্র ৫ মিনিট
মনে করেন ১০০ গ্রুপে পোষ্ট করতে সময় লাগে মিনিমাম ২৫ মিনিট।
মাল্টি গ্রুপ পোষ্টে সময় লাগতেছে মাত্র ৫ মিনিট
তো শুরু করা যাক 
প্রথমে http://m.fb-autolikers.com লিংকে ক্লিক করেন
লিংকে ডুকার পর একদম নিচে যান
মাল্টি গ্রুপ পোষ্টে ক্লিক করেন।
তারপর এই পেজ আসবে এখানে ক্লিক করে টুকেন সংগ্রহ করতে হবে। ছবির দেখানো এ্যােরা তে ক্লিক করুন
তারপর যতবার এ্যাপ এলাও পার্মিশন চাইবে ততবার ok click করেন (২ বার হয়তো চাইবে)
ok ক্লিক করার পর এই পেজ থেকে যত তারাতারী সম্ভব পেজ লিংক কপি করে নিন সাক্সেস লিখা লাল হওয়ার আগে

তারপর আবার মাল্টি গ্রুপ পোষ্টের মেইন পেইজে এসে বক্সে কপি করা লিংক পেষ্ট করে সাবমিট করুন
সটিক ভাবে পেষ্ট করার পর এই পেইজ আসবে
এখানে আপনি সব গ্রুপ একসাথে সিলেক্ট করে বা একটা একটা সিলেক্ট করে পোষ্ট দিতে পারবেন

এখানে আপনি সব গ্রুপ একসাথে সিলেক্ট করে বা একটা একটা সিলেক্ট করে পোষ্ট দিতে পারবেন
তারপর একদম নিচে এসে গ্রুপে কি লিখতে চান তা লিখে পোষ্ট এ ক্লিক করেন

আপনার গ্রুপ পোষ্ট শুরু হয়ে গেছে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেন GO back আসার আগ পর্যন্ত

আপনি সফল ভাবে মাল্টি গ্রুপ পোষ্ট শেষ করতে পারলেন।
বিঃদ্রঃ → একটি ফেবো আইডি থেকে প্রতি দিন একবাবের বেশি পোষ্ট করবেন না । করলে হয়তো টেম্প্রুরারি ব্লক খাইতে পারেন।
→অটো লাইক, অটো কমেন্ট, অটো ফলোয়ার, যেমন আপনার ফেবো আইডির জন্যে ক্ষতিকর টিক তেমনি মাল্টি গ্রুপ পোষ্ট ও ক্ষতিকর।
→যে যে ব্যাবহার করবেন নিজ দায়িত্বে করবেন এতে আমি কোন ভাবেই দায়ি থাকবো না।
ভালো থাকবেন আগামিতে হয়তো আবারো অন্য কিছু নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হতে পারি।
টিউন টা মোবাইল থেকে করা তাই ভুলভ্রান্তি হতেই পারে।
ভুলগুলা ধরিয়ে দিবেন আর ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।
কপি ঃএখান থেকে
আপনার ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া সকল ফটো ট্যাগ রিমুভ করুন ঝামেলাহীনভাবে সহজেই এবং কম সময়ে! [ভিডিও টিউটোরিয়ালসহ]
ফেসবুক ফটো ট্যাগ রিমুভ বিষয়ক বাংলা টিউটোরিয়ালে স্বাগতম জানাচ্ছি আমি ব্লগার মারুফ। ফেসবুক ট্যাগ কতটা বিরক্তিকর সাথে কতটা ক্ষতিকর সে সম্পর্কে সকলের ধারনা পানির মতো পরিষ্কার। ফেসবুক ফটো ট্যাগের যে ব্যবহার সে ব্যবহার আমরা আর করিনা। আজাইরা, হুদাই কোন ফটোতে ট্যাগ করে এখন একে অপরে। আর অতিরিক্ত ফটো ট্যাগের কারণে যখন আমরা ফটো ভেরিফিকেশনের মতো বিরাট ঝামেলায় পড়ি ঠিক তখনই তা হারে হারে উপলব্ধি করতে পারি। যাই হোক, সোজা কথায় আগেই জেনে রাখুন, ফেসবুকে অযথা ফটো ট্যাগগুলোই আপনার আইডি নস্ট হওয়ার প্রধান কারণ হয়ে দাড়াতে পারে। তাই একটু সজাগ হোক। ফেসবুকে যখন বন্ধু পাতিয়েছে তখন তো ট্যাগ থেকে বাঁচতে পারবেন না। তাই অযথা এবং বিরক্তিকর ট্যাগগুলো একসাথে সব রিমুভ করতে পারেন সহজেই। কারণ যখন আপনার আইডিতে অসংখ্য ফটো ট্যাগে ছড়াছড়ি হয়ে যাবে তখন এক এক করে সেগুলো রিভিউ এবং রিমুভ করতে গেলে অনেক সময়, শ্রমের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তাই ফেসবুকে জমা হওয়া ফটো ট্যাগগুলোও মার্ক অপশন ব্যবহার করে অনাকাঙ্ক্ষিত ফটো ট্যাগগুলো রিমুভ করতে পারেন। আর সেজন্যই আজকের টিউটোরিয়াল। আর আপনার ভালোভাবে বুঝার জন্য রয়েছে ভিডিও টিউটোরিয়ালও। ফেসবুকে একাধিক ফটো ট্যাগ সহজেই রিমুভ করতে নিচের ধাপসমূহ অনুসরন করুনঃ
- ফেসবুকে লগিন করে আপনার প্রোফাইলে যান।
- Activity Log ক্লিক করুন।
- Photos > Photos of You ক্লিক করুন।
- এখন আপনাকে যেসব ফটোতে ট্যাগ করা হয়েছে সেগুলো দেখতে পারবেন এবং সেগুলোর প্রতিটার পাশে Mark করার অপশন পাবেন। যে ফটোগুলো থেকে Untag হতে চান সেগুলো Mark করুন এবং Report/Remove Tags বাটন ক্লিক করুন।
- একটি পপ আপ আসবে। সেখানে I want the photo untagged এবং I want the photo untagged and taken down নামের দুটি অপশন পাবেন। প্রথম অপশনটায় ক্লিক করে Untag Photo বাটন ক্লিক করুন এতে সিলেক্ট করা ফটোগুলো থেকে আপনি ট্যাগ রিমুভ করতে পারবেন। আর দ্বিতীয় অপশনটা ক্লিক করে Untag Photo বাটন ক্লিক করে আপনি ফটো ট্যাগগুলো রিমুভের সাথে সাথে ফেসবুকের কাছে সেগুলোর নামে রিপোর্টও জানাতে পারবেন।
বিঃদ্রঃ টিউটোরিয়ালটি পিসি ইউজারদের জন্য। আশা করি কাজে লাগবে টিউটোরিয়ালটি। আর সাথে বুঝতে সমস্যা হলে আমার তৈরি ভিডিও টিউটোরিয়ালটি তো আছে। দেখুনঃ ফেসবুকের সকল ফটো ট্যাগ রিমুভ করার সহজ বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল
কপি ঃএখান থেকে
লিনাক্স আর ইউনিক্স নিয়ে বহুল আলোচিত একটি প্রশ্ন! লিনাক্স আর ইউনিক্স কি একই?
রহস্যময় প্রশ্নটির উত্তর জানতে হলে আমাদের একেবারে রূট এ চলে যেতে হবে অর্থাৎ আমরা যাকে গোড়া বা মূল বলি। সাল ১৯৬৯, ইউনিক্স এর সৃষ্টি হলো ‘বেল লাবরেটরিতে’ যার উদ্ভাবক ডেনিস রিচি (‘সি’ প্রোগ্রামিং লাঙ্গুয়েজের উদ্ভাবক) আর কেন থমসন।
কেন থমসন ও ডেনিস রিচি
লিনাস বেনেডিক্ট টরভাল্ডস
লিনাস বেনেডিক্ট টরভাল্ডস
একই বছর ১৯৬৯ সালে ফিনলান্ডে জন্ম লিনাক্স এর উদ্ভাবক লিনাস বেনেডিক্ট টরভাল্ডসের। যে কিনা একসময় প্রযুক্তিবিশ্বে বিপ্লব ঘটাবে। নানা টরভাল্ডস (ফিনলান্ডের হেলসিংকি ইউনিভার্সিটির প্রফেসর) একটি কম্পিউটার কিনে দিলেন লিনাসকে। কম্পিউটারটি ছিল ‘Commodore VIC-20’। কম্পিউটারের সাথে দেয়া কিছু প্রোগ্রাম ছাড়া কম্পিউটারে আর তেমন কিছু না থাকায় কয়েকদিনের মাথায় লিনাস বিষণ্ন হয়ে পরে। তখন আর কোন উপায় না দেখে লিনাস নিজেই প্রোগ্রাম লিখতে বসে গেলেন। শুরু করলেন বেসকি দিয়ে এবং পরে আরো জটিল ও শক্তিশালী লাঙ্গুয়েজ এ্যাসেম্বলি লিখা শুরু করে। একসময় প্রোগ্রামিং আর গণিতই হয়ে ওঠে তার জীবনের সঙ্গী।
Commodore VIC-20
লিনাস লাজুক ছিল, বন্ধু-বান্ধবদের সাথে তেমন মিশতোনা, খেলাধুলাতেও তেমন আগ্রহ ছিল না। বাবা অনেক চেষ্টা করেছেলেকে কিছুটা সামাজিক করতে কিন্তু তার সব চেষ্টায় বিফলে যায়।
সাল ১৯৯১ লিনাস তখন আইবিএমের ৩৮৬ প্রসেসরের একটা পার্সনাল কম্পিউটার কিনল, সে সময়ে লিনাস হেলসিংকি ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। এই প্রসেসরটি ছিল ইন্টেলের আগের প্রসেসরগুলোর তুলনায় অত্যাধিক উন্নত। কম্পিউটারটির অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ছিল ‘MS-DOS’ যা তাকে হতাশ করে তুলেছিল, কারণ ইন্টেলের ৩৮৬ চিপ এর পুরোপুরি ব্যবহার করার ক্ষমতা সেটার ছিল না। এ কারণে লিনাস চাচ্ছিল আরো ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে, সে ইউনিভার্সিটিতে ইউনিক্স ব্যবহার করতে অভ্যস্ত ছিল। কিন্তু তার কম্পিউটারের জন্য ইউনিক্স নেওয়া হলো না যখন দেখলো যে ইউনিক্সের দাম ৫০০০ মার্কিন ডলার!
মিনিক্স
মিনিক্স
নিলাস তথন মিনিক্সের দিকে ফিরল। মিনিক্স ছিল ইউনিক্সের এর ছোটখাটো একটা ক্লোন, তবে সম্পূর্ণ ক্লোন নয় যা হেলসিংকি ইউনিভার্সিটির অপারেটিং সিস্টেম এক্সপার্ট এন্ড্রু টানেনবাম এর তৈরী। প্রফেসর শুধুমাত্র ছাত্রদের অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে ক্লাস নেবার সময় মিনিক্স ব্যবহার করতেন। মিনিক্স ছিল MS-DOS এর তুলনায় অনেক শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম। তবে সমস্যা ছিল মিনিক্স ওপেনসোর্স না, তবে মিনিক্সের কিছুটা কোড উন্মুক্ত ছিল। প্রফেসর টানেনবমের লেখা ‘Operating Systems Design and Implementation’ বইটা কিনলেই সাথে মিনিক্সের ১২০০০ লাইনের কোডটা পাওয়া যেত। যদিও মিনিক্সের পুরো কোড উন্মুক্ত ছিল না। কিন্তুসবথেকে বড় সমস্যা ছিল যে মিনিক্সের কোডকে নিজের মত পাল্টানোর লাইসেন্স ছিলনা। তাছাড়া মিনিক্স ছিল শুধুমাত্র শিক্ষামূলক কাজের জন্য এবং একটি পুর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম বলতে যা বুঝানো হয় সেটা না। লিনাস বইটা কিনে ফেললো যার সাথে সে কোডটাও পেল। কোডটি নিয়ে কাজকরার সময় যে বুঝতে পারল এটাও তার চাহিদা পূরণের জন্য উপযুক্ত না।
জন্ম নিল একটি উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স
লিনাক্স
অবশেষে লিনাস সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললো যে সে নিজেই একটা অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করবে যেটা মিনিক্স আর ইউনিক্স এর আদলে একটি নতুন উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম। এপ্রিল, ১৯৯১ শুরু করে লিনাসের নিজের অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করার কাজ। সে কি তখনবুঝতে পেরেছিল (?)! তার এই সিদ্ধান্ত একসময় তার জীবন এবং পৃথিবীকেও পাল্টে দেবে!
আগষ্ট ২৫, ১৯৯১ লিনুস তার অপারেটিং সিস্টেমের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ মিনিক্স নিউজগ্রুপকে জানাতে চেয়েছিল। সে মিনিক্স নিউজগ্রুপে তার এই ঐতিহাসিক মেইলটি পাঠালেন:
Message-ID: 1991Aug25.205708.9541@klaava.helsinki.fi
From: torvalds@klaava.helsinki.fi (Linus Benedict Torvalds)
To: Newsgroups: comp.os.minix
Subject: What would you like to see most in minix?
Summary: small poll for my new operating system
Hello everybody out there using minix-
I'm doing a (free) operating system (just a hobby, won't be big and professional like gnu) for 386 (486) AT clones. This has been brewing since april, and is starting to get ready. I'd like any feedback on things people like/dislike in minix, as my OS resembles it somewhat (same physical layout of the file-sytem due to practical reasons)among other things.
I've currently ported bash (1.08) an gcc (1.40), and things seem to work. This implies that i'll get something practical within a few months, and I'd like to know what features most people want.
Any suggestions are welcome, but I won't promise I'll implement them 
Linus Torvalds torvalds@kruuna.helsinki.fi
একই বছরের ১৭ই সেপ্টেম্বর লিনুস তার নতুন অপারেটিং সিস্টেমের ০.০১ ভার্সন প্রকাশ করে। আবার তার কিছুদিন পরেই ৫ই অক্টোবর প্রকাশ হয় ০.০২ ভার্সন যেটাতে টেক্সটবেজড ইউজার ইন্টারফেসের জন্য গ্নু ব্যাশ শেল আর কম্পাইলিং এর জন্য রিচার্ড স্টলম্যানের GCC (GNU C Compiler) যুক্ত ছিল। লিনুস কি জানত (?)!তার এই বিখ্যাত ঘোষণা পুরো পৃথিবী একদিন পরিবর্তন করে ফেলবে:
Do you pine for the nice days of minix-1.1, when men were men and wrote their own device drivers? Are you without a nice project and just dying to cut your teeth on a OS you can try to modify for your needs? Are you finding it frustrating when everything works on minix? No more all-nighters to get a nifty program working? Then this post might be just for you
As I mentioned a month(?) ago, I'm working on a free version of a minix-lookalike for AT-386 computers. It has finally reached the stage where it's even usable (though may not be depending on what you want), and I am willing to put out the sources for wider distribution. It is just version 0.02 (+1 (very small) patch already), but I've successfully run bash/gcc/gnu-make/gnu-sed/compress etc under it.
Sources for this pet project of mine can be found at nic.funet.fi (128.214.6.100) in the directory /pub/OS/Linux. The directory also contains some README-file and a couple of binaries to work under linux (bash, update and gcc, what more can you ask for :-). Full kernel source is provided, as no minix code has been used. Library sources are only partially free, so that cannot be distributed currently. The system is able to compile "as-is" and has been known to work. Heh. . . .
লিনাক্স নামটি!
লিনাস কিন্তু তার অপারেটিং সিস্টেমের নাম লিনাক্স দিতে চেয়েছিল না! সে চেয়েছিল তার অপারেটিং সিস্টেমের নাম হবে ফ্রিক্স ‘Freax’ যা Free, Freak ও MINIX এর মিলিত একটা নাম। কিন্তু লিনাস এর বন্ধু এ্যারি লেম্কের নামটা পছন্দ হলো না। এ্যারি ছিল http://ftp.funet.fi এর আডমিনিস্ট্রেটর যা ফিনলান্ডের একটি FTP (File Transfer Protocol) সার্ভিস সরবরাহকারী। সে লিনাসকে বলেছিল যেন তার অপারেটিং সিস্টেমের সোর্সকোড সেখানে আপলোড করে, যাতে করে যে কেউ সোর্সকোড সংগ্রহ করতে পারে।
এ্যারি তার FTP সার্ভারে Linux নামের ফোল্ডারে লিনাসের অপারেটিং সিস্টেমের সোর্সকোড আপলোড করে। আর তারপর থেকেই লিনাসের অপারেটিং সিস্টেমের নাম হয়ে গেল Linux!
লিনাক্স আর ইউনিক্স কি একই? কি না? এ নিয়ে লিখতে গিয়ে অনেক কিছুই বলে ফেলা হল। সকলের কাছে যেন বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায় সে কারণেই এ ভাবে লেখা। মূল কথা বলতে গেলে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমটি ইউনিক্স আর মিনিক্স এর আদলে তৈরী করা যাকে ‘Unix-Like Operating System’ ও বলা হয়। তবে এটি ইউনিক্স বা মিনিক্স নয়! লিনাক্স নতুন আরেকটি অপারেটিং সিস্টেম যা ইউনিক্স বা মিনিক্স থেকে অনেক উন্নত।
লিনাক্স আর ইউনিক্স কি একই? কি না? এ নিয়ে লিখতে গিয়ে অনেক কিছুই বলে ফেলা হল। সকলের কাছে যেন বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায় সে কারণেই এ ভাবে লেখা। মূল কথা বলতে গেলে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমটি ইউনিক্স আর মিনিক্স এর আদলে তৈরী করা যাকে ‘Unix-Like Operating System’ ও বলা হয়। তবে এটি ইউনিক্স বা মিনিক্স নয়! লিনাক্স নতুন আরেকটি অপারেটিং সিস্টেম যা ইউনিক্স বা মিনিক্স থেকে অনেক উন্নত।
কপি ঃ এখান থেকে
Subscribe to:
Posts (Atom)




